অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে যে প্রশ্নটা সবচেয়ে বেশি মাথায় আসে সেটা হলো — জেতা টাকা সত্যিই হাতে পাব তো? gh22-এর ক্ষেত্রে উত্তরটা সহজ: হ্যাঁ, এবং দ্রুত। এই প্ল্যাটফর্মে উইথড্র করতে গেলে কোনো লম্বা ফর্ম ভরতে হয় না, কল সেন্টারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় না। কয়েকটা ক্লিকেই কাজ শেষ।
বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের কথা মাথায় রেখে gh22 তার উইথড্র সিস্টেম তৈরি করেছে। বাজারের সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা — bKash, Nagad ও Rocket — সবই এখানে সরাসরি সংযুক্ত। আলাদা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট না থাকলেও সমস্যা নেই।
উইথড্র করার আগে যা জানা দরকার
যেকোনো প্ল্যাটফর্মে উইথড্র করার আগে কিছু বিষয় পরিষ্কার থাকলে পরে ঝামেলায় পড়তে হয় না। gh22-এও একইভাবে কিছু পূর্বশর্ত আছে যেগুলো একবার সম্পন্ন করে নিলে পরেরবার থেকে শুধু অ্যামাউন্ট টাইপ করলেই হয়।
প্রথমত, অ্যাকাউন্ট ভেরিফিকেশন। gh22-এ নিবন্ধনের সময় সঠিক তথ্য দেওয়া থাকলে ভেরিফিকেশন সাধারণত দ্রুত হয়ে যায়। মোবাইল নম্বর যাচাই ও একটি সরকারি পরিচয়পত্রের ছবি আপলোড করলেই কাজ শেষ। এই ধাপটা একবারই করতে হয়।
দ্বিতীয়ত, উইথড্র পদ্ধতির সাথে ডিপোজিট পদ্ধতির মিল রাখা ভালো। যে নম্বর দিয়ে ডিপোজিট করেছেন, সেই একই নম্বরে উইথড্র করলে প্রক্রিয়া আরও দ্রুত হয়। এটা বাধ্যতামূলক না, তবে সুবিধাজনক।
তৃতীয়ত, বোনাস ব্যবহার করে থাকলে ওয়েজারিং রিকোয়ারমেন্ট পূরণ হয়েছে কিনা দেখুন। সব বোনাসের ক্ষেত্রেই উইথড্রের আগে নির্দিষ্ট পরিমাণ বেটিং করতে হয়। gh22-এর প্রোমোশন পেজে প্রতিটি বোনাসের শর্ত স্বচ্ছভাবে লেখা থাকে।